ঢাকায় বিদেশিদের জন্য ভিন্ন আমেজের মেলা
দুপুরের রোদ উপেক্ষা করে কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা বৈশাখের দুই সপ্তাহ আগেই বৈশাখী মেলার আমেজ নিলেন।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঢাকার গুলশান সোসাইটি পার্কে আয়োজন করা হয়েছিল ‘মুজিববর্ষ সোনার বাংলা মেলা। ’ আবহমান বাংলার সমৃদ্ধ বাঙালি সংস্কৃতি, লোকজ আমেজ, কুটির শিল্প, পুতুলনাচ, বায়স্কোপ, গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্য, দেশীয় খাবার, লোকসংগীত ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলার অবয়ব ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা ছিল মেলায়।
দুপুরের রোদ উপেক্ষা করে মেলায় এসেছিলেন কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।
তাঁদের অনেকেই কিনেছেন বাঁশি, ঢোল, নকশা করা হাতপাখা। নারীরা ভিড় করেছিলেন হাতে মেহেদি রাঙাতে। হাওয়াই মিঠাই নিয়েও আনন্দে মাতলেন অনেকে। কারো কারো আবার বাঁশি বাজানোর চেষ্টা।
কূটনীতিকদের অনেকে কিনেছেন নকশা করা মুখোশ, ঘুড়ির নাটাই ও ঘুড়ি। শাড়ি, চুড়ি ও মালার স্টলেও ছিল ভিড়। পুতুলসহ মাটির তৈরি বিভিন্ন পণ্য নিয়েও আগ্রহ ছিল বিদেশিদের। মেলায় ছিল নাগরদোলা, বাউলসংগীত, বানর ও পুতুলনাচ, সাপের খেলা। পার্কের ভেতর লেকে ছিল নৌকা।
মেলা প্রাঙ্গণের এক প্রান্তে বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য জীবনের ভিডিও ও ছবি তুলে ধরা হয়েছিল। বড় একটি বোর্ডে ছিল জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দেওয়াসহ ঐতিহাসিক বেশ কিছু ছবি। কয়েকজন কূটনীতিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা বঙ্গবন্ধুর সেই ছবির বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন। সেখানে অনেকে তুলেছেন সেলফি।
মেলার ছবি প্রকাশ করে ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন এক টুইটবার্তায় লিখেছেন, ‘গুলশান পার্কে সোনার বাংলা মেলা—গান, কারুপণ্য ও পরিবেশে দারুণ উপভোগ করেছি। ’
আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপকমিটি এ মেলার আয়োজন করেছে। আওয়ামী লীগের নেতারা ছাড়াও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিদেশি কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা মেলায় যোগ দেন।
-B










