
কক্সবাজার : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুর্গাপূজার ছুটি ও বিচ কার্নিভাল ঘিরে দেশের দুই জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে।কক্সবাজারে সৈকতসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। অন্যদিকে কুয়াকাটায় পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত আবাসিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট। দুই পর্যটনকেন্দ্রেই আগাম বুকিং বেড়েছে।কক্সবাজারে বাড়ছে ভিড় : সাধারণত নভেম্বর থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও এবার দুর্গাপূজার ছুটিকে কেন্দ্র করে আগেভাগেই জমে উঠছে কক্সবাজার।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে কেউ সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছেন, কেউ ছবি তুলছেন।ঘোড়ায় চড়া, বিচবাইক ও জেটস্কিতে ভ্রমণের পাশাপাশি অনেকে সাগরে গোসল ও কিটকটে বসে সময় কাটাচ্ছেন। মেরিন ড্রাইভ ও হিমছড়ি ঝরনাসহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানেও বেড়েছে পর্যটকের আনাগোনা।ঢাকার পান্থপথ থেকে আসা পর্যটক আলী আকবর বলেন, ‘অনেক দিন পর কক্সবাজারে ঘুরতে এসেছি। আবহাওয়া ভালো থাকায় সৈকতে এসে বেশ ভালো লাগছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটাচ্ছি।’কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, পূজার দীর্ঘ ছুটির আগেই পর্যটকদের এমন উপস্থিতি তাঁদের প্রত্যাশার বাইরে ছিল। আগামী ২০ অক্টোবর থেকে পাঁচ দিনের ছুটিতে প্রতিদিন গড়ে এক লাখের বেশি পর্যটক আসতে পারেন। সে হিসাবে ৫ দিনে ৬ লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম হতে পারে।উৎসবমুখর কুয়াকাটা :দুর্গাপূজার ছুটি ও ২৩-২৪ অক্টোবর দুই দিনের বিচ কার্নিভালকে ঘিরে কুয়াকাটায় লক্ষাধিক পর্যটক-দর্শনার্থীর সমাগমের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল থেকেই পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের ৭০-৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে বলে জানিয়েছে হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।পর্যটক আকর্ষণে হোটেল মালিক সমিতি কক্ষভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে।আবাসিক হোটেল সৈকতের ব্যবস্থাপক রাজিব হোসেন জানান, পূজা, সাপ্তাহিক ছুটি ও কার্নিভাল ঘিরে তাঁদের হোটেলের ৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে।কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফও লক্ষাধিক পর্যটক-দর্শনার্থীর আগমনের আশা করছেন।কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক নাজমুল হাসান বলেন, পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ ও এসআরবির পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।














