চট্টগ্রাম-কুয়ালালামপুর সরাসরি ফ্লাইটের উদ্যোগ


চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম-কুয়ালালামপুর সরাসরি উড়োজাহাজ যোগাযোগ চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা আছে। চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়াগামী চট্টগ্রাম ও আশপাশ এলাকার রোগীদের যাতায়াত সহজ করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার কনসাল জেনারেল ও পিএইচপি মোটরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতার পারভেজ।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের দ্য গ্যালারিয়া হোটেলে ‘মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার উইক ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে ‘ডিসকভার মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার: মিডিয়া কানেক্ট অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং লাঞ্চ’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়ার অনারারি কনস্যুল আক্তার পারভেজ। অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের (এমএইচটিসি) ডেভেলপমেন্টাল মার্কেট, মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান হিজামি আইজাট চে হারুন, ম্যানেজার নর সুজিলাওয়াতি ইদ্রিস, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ রোসিলাহ চে ওমর এবং এক্সিকিউটিভ পুতেরি নুর আয়েশাহ মোহাম্মদ জামরি।
আক্তার পারভেজ বলেন, মালয়েশিয়ায় ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্বসহ জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশি রোগীদের জন্য এসব সেবা আরও সহজলভ্য করতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং চট্টগ্রাম-কুয়ালালামপুর সরাসরি বিমান যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইএইচএইচ হেলথকেয়ারের ১৮টি হাসপাতালে বিভিন্ন জটিল রোগের বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ১ হাজার ১০০ শয্যার সানওয়ে মেডিকেল সেন্টারে ক্যান্সার চিকিৎসা, স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট ও রোবোটিক সার্জারির সুবিধা রয়েছে।
গত বছর বিশ্বের ১৫০টি দেশের প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার আন্তর্জাতিক রোগী সেখানে চিকিৎসা নিয়েছেন, যার মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষ ১০ দেশের একটি।
ফার্টিলিটি চিকিৎসায় আলফা আইভিএফ ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ গর্ভধারণের সফলতার কথা জানিয়েছে। কেএল ফার্টিলিটি সেন্টারও ২৩ বছর ধরে বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছে।
বক্তারা বলেন, ভিসা প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও সরাসরি উড়োজাহাজ যোগাযোগের অভাব স্বাস্থ্য পর্যটন বিকাশের বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসা ভিসা পেতে ৪৫ দিনের বেশি সময় লাগছে।










