সুদিন ফিরেছে এয়ারবাসের

বাণিজ্যিক বিমানের চাহিদা আর সরবরাহের তুঙ্গে এখন ইউরোপের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস।
দীর্ঘ দুই বছরের লোকসান কাটিয়ে অবশেষে ২০২১ সালে রেকর্ড মুনাফা করেছে ইউরোপীয় বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস।
গতকাল সংস্থাটির সিইও গিয়্যোম ফরি বলেন,গত বছর নেট মুনাফা বেড়ে হয়েছে ৪.২ বিলিয়ন ইউরো। বিমান সরবরাহ ৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬১১টি। ‘২০২১ সালটি ছিল আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বছর।
এ সময়ে আমরা করোনার ক্ষতি কাটিয়ে পুনরুদ্ধারে ও প্রবৃদ্ধিতে মনোযোগ দিতে পেরেছি। এ জন্য আমাদের পুরো টিম, গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। ’
উল্লেখ্য যে , এয়ারবাস হলো ইউরোপের একাধিক দেশের মালিকানাধীন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭০ সালের ১৮ ডিসেম্বরে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
২০২২ সালের মধ্যে আকাশপথে যাত্রী পরিবহন আবার আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশা এয়ারবাসের। এয়ারবাসের এ ৩২০ মডেলের বিমানটির প্রতিযোগিতা বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলের বিমানের সঙ্গে।
২০২৩ সালের মধ্যে প্রতি মাসে ৬৫টি করে এ ৩২০ মডেলের বিমান তৈরি করতে চায় এয়ারবাস। এ ছাড়া ২০২২ সালের মধ্যে প্রতি মাসে এ ৩৩০ মডেলের তিনটি করে বিমান তৈরি করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। কারণ বর্তমানে বেশকিছু এয়ারলাইনসের পছন্দের তালিকায় আছে মডেলটি। ২০২৫ সালের মধ্যে এই মডেলের বিমান তৈরি হবে বছরে ৭৫টি করে।
এয়ারবাসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, এ ৩২০ মডেলের বিমানের কারণেই এয়ারবাসের সুদিন ফিরেছে। আগামী কয়েক বছরে বাণিজ্যিক বিমান সরবরাহ করে মুনাফার তুঙ্গে থাকবে এয়ারবাস। কিন্তু করোনা মহামারি প্রতিষ্ঠানটির জন্য এখনো চ্যালেঞ্জ।
গত বছরে ক্রয়াদেশ পাওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকলেও উড়োজাহাজ সরবরাহে অবশ্য এগিয়ে ছিল বোয়িং। সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৭ সালে ৭৬৩টি উড়োজাহাজ বিশ্বের বিভিন্ন বিমান সংস্থার হাতে তুলে দিয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। একই সময়ে এয়ারবাস ক্রেতাদের সরবরাহ করেছে ৭১৮টি বিমান।
_B










