
ঢাকাঃ দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময়ের পরিকল্পনা শেষে যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।রবিবার ৫৬০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার ব্যয়ে পশ্চিম সিডনির ব্যাজেরিস ক্রিকে নবনির্মিত ‘ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (ন্যান্সি-বার্ড ওয়ালটন) কার্যক্রম শুরু হয়।দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ সিডনির নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিডনির জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।সিডনির কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে ব্যাজারিস ক্রিকে অবস্থিত নতুন বিমানবন্দরটি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে।সিডনির বর্তমান বিমানবন্দরটি শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থিত। তবে সেখানে রাত ১১টার পর থেকে সকাল ৬টার আগেপর্যন্ত উড়োজাহাজের উড্ডয়ন ও অবতরণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে মেলবোর্নের মতো অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য বড় শহরের তুলনায় উড়োজাহাজ চলাচলের সময়সূচি নির্ধারণে সীমাবদ্ধতার মুখে পড়তে হয় সংস্থাগুলোকে।এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ বলেন, ‘৫০ বছরের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ায় একটি বড় নতুন বিমানবন্দর চালু হচ্ছে। এটি কয়েক দশকের পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টার ফসল।’তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত।’বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বিবৃতি অনুযায়ী, রোববার গোল্ড কোস্টের উদ্দেশে প্রথম বহির্গামী ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার উড়োজাহাজ সংস্থা কোয়ান্টাসের স্বল্প ব্যয়ের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জেটস্টারের।বিমানবন্দরটিতে বছরে আট কোটির বেশি যাত্রীর যাতায়াতের সক্ষমতা রয়েছে।এর আগে গত জুলাইয়ে বিমানবন্দরটিতে পণ্যবাহী উড়োজাহাজের চলাচল শুরু হয়। এবার যাত্রীবাহী ফ্লাইটের কার্যক্রমও শুরু হলো।১৯৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার ১ হাজার ৭৮০ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করে বিমানবন্দরটির জন্য। সাত বছর নির্মাণকাজ এবং ১৫ বছরের পরিকল্পনা শেষে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এর নির্মাণ সম্পন্ন হয়।
