পানির নিচে ব্যাংকক : ভোগান্তিতে পর্যটক


ঢাকাঃ বাংলাদেশিদের অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ ও চিকিৎসা গন্তব্য থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ভয়াবহ বন্যায় ব্যাহত হচ্ছে নগরজীবন।
প্রায় ৪৮ ঘণ্টার টানা ভারি বৃষ্টিতে শহরের সড়ক ও ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পর্যটন ও চিকিৎসাসেবায়ও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। তবে নতুন করে বৃষ্টি না হলে জমে থাকা পানি সরাতেও দুই-তিনদিন সময় লাগতে পারে।
বন্যার কারণে ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হলেও শহরের প্রধান বিমানবন্দর সুবর্ণভূমি ও ও ডন মুয়াংর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পর্যটন কর্তৃপক্ষ ভ্রমণকারীদের যাত্রার সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা হাতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ অবশ্য জলাবদ্ধতা ও বৈরী আবহাওয়ায় কিছু ফ্লাইটে বিলম্বের আশঙ্কা করছেন।
এদিকে, বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তারা আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী রান্নাঘর তৈরি করছে। ব্যাংকক মেট্রোপলিটন প্রশাসন শহরের স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া বাসিন্দাদের বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে বন্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সুপারশপগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। অনেকে খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে মজুত করছেন। খালের আশপাশের বাসিন্দাদের জরুরি সতর্কতা জারি করে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে ব্যাংককে আরও বজ্রঝড় ও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।










