জানুয়ারি-অক্টোবর ⬩ ৬২১ উড়োজাহাজ সরবরাহ করেছে এয়ারবাস


ঢাকা: ইউরোপের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) ৬২১টি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ সরবরাহ করেছে।
গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ৬.২ শতাংশ বেশি। পুরো বছরে প্রায় ৮৭০টি উড়োজাহাজ সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। লক্ষ্য পূরণে বছরের শেষ ২ মাসে আরো ২৪৯ উড়োজাহাজ সরবরাহ করতে হবে এয়ারবাসকে।
প্রতিষ্ঠানটির মাসিক ক্রয়াদেশ ও সরবরাহসংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরে ৪৫টি গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের কাছে মোট ৭৪টি উড়োজাহাজ সরবরাহ করেছে এয়ারবাস। এ নিয়ে চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে উড়োজাহাজ পেয়েছে মোট ৯১ গ্রাহক। তবে গত বছরের অক্টোবরের তুলনায় এবার সরবরাহ কমেছে। ওই মাসে ৭৮টি উড়োজাহাজ সরবরাহ করেছিল প্রতিষ্ঠানটি।
বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ১২৫টি করে উড়োজাহাজ সরবরাহ করতে হবে এয়ারবাসকে। গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত চলতি বছরের প্রথম নয় মাসের আর্থিক প্রতিবেদনেও এ লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
সরবরাহের পাশাপাশি নতুন উড়োজাহাজের অর্ডারও পেয়েছে এয়ারবাস। অক্টোবরে প্রতিষ্ঠানটি ২০২টি উড়োজাহাজের ক্রয়াদেশ পেয়েছে। এতে জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মোট অর্ডারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭৬।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের তুলনায় সরবরাহে এগিয়ে রয়েছে এয়ারবাস। ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে এয়ারবাস সরবরাহ করেছে ৫৪৭টি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ। একই সময়ে বোয়িং সরবরাহ করেছে ৪৭৫টি।
এদিকে বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে এয়ারবাস।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের শেষ নাগাদ এ৩২০ পরিবারের উড়োজাহাজের মাসিক উৎপাদন ৭০ থেকে ৭৫টিতে উন্নীত করা হবে। পরে তা প্রতি মাসে ৭৫টিতে স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্য রয়েছে। এছাড়া ২০২৮ সালে প্রতি মাসে ১৩টি এ২২০ ও ১২টি এ৩৫০ উড়োজাহাজ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৯ সালে এ৩৩০ মডেলের মাসিক উৎপাদন পাঁচটিতে উন্নীত করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।










