ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুত সৈকত শহর

করোনা সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধ আরোপের দুই বছর পর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙ্গে উচ্ছ্বাসে বালিয়াড়ি রাঙ্গাতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত হয়েছে সৈকত শহর কক্সবাজার।
পুরো রমজান মাস জনশূন্য থাকা সৈকত তীরের পর্যটন জোনে প্রাণচাঞ্চল্যতা ফিরবে, পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউজ ও রেস্তোরা প্রহর গুনছে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে।
সৈকতের পাশাপাশি মেরিন ড্রাইভের হিমছড়ি, ইনানীর পর্যটন স্পট, সাবরাং এক্সক্লুসিভ জোন, ন্যাচারপার্ক, বার্মিজ মার্কেট, ডুলহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, মহেশখালী আদিনাথ মন্দির, রামুর রামকুট বৌদ্ধ বিহারসহ দর্শনীয় স্থানগুলোকে আকর্ষণীয় করে পরিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ হোটেল ও গেস্ট হাউসের কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ শেষ করে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কাজে ফিরছে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
প্রতিবছর ঈদে এলে একটি লম্বা ছুটি মেলে। এ ছুটিকে কেন্দ্র করে ঈদের আগে-পরে কক্সবাজারে আসেন লাখো পর্যটক। অন্যবারের মতো এবারও ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় হবে- এমন আশা করছেন কক্সবাজারের হোটেল লংবিচের হেড অব অপারেশন তারেক মোহাম্মদ।
কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘কক্সবাজারে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল, কটেজ ও আবাসিক হোটেল রয়েছে। সবকটি হোটেল এবারের ঈদে বুকিং হওয়ার খবর রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, বৃষ্টি হলেও পর্যটকরা আসবে। এ ক্ষেত্রে চিন্তার কোনো কারণ নেই। এছাড়া শহরের বাইরে হিমছড়ি, ইনানী, টেকনাফ, রামু, মহেশখালীসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত কটেজগুলোতেও পর্যটকদের আগাম বুকিং হয়েছে। এসব এলাকায় জেলা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।’
কক্সবাজার পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ ট্যুরিস্টদের নিরাপত্তায় আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। সৈকত এলাকায় শতাধিক পোশাকধারী পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ছিনতাই প্রতিরোধে টহল পুলিশ ও সাদা পোশাকে পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। কন্ট্রোল রুম, পর্যবেক্ষণ টাওয়াসহ পুরো সৈকতে পুলিশের নজরদারি থাকবে।’
-B










