শুরুতেই সাড়া ঢাকা-টরন্টো ফ্লাইটে

বহুল আলোচিত উত্তর আমেরিকার দেশ টরন্টোর দ্বিতীয় ফ্লাইটে ভাল সাড়া মিলেছে। এই রুট বিমানের জন্য সম্ভাবনাময় হয়ে উঠছে।
টরন্টো রুটের দ্বিতীয় ফ্লাইটে রবিবার (৩১ জুলাই) ঢাকা ছেড়েছেন ১৯৭ যাত্রী। তাদের মধ্যে ভারত ও নেপালের ছিলেন ৯০ জন। আবার আগামী বুধবারের (৩ আগস্ট ) ফ্লাইটেও যাত্রীর সংখ্যা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই শতাধিকে।
শুরুর দিকে যাত্রী বৃদ্ধির এই প্রবণতাকে শুভ লক্ষণ বলে জানিয়েছেন বিমান কর্মকর্তারা।
তবে যাত্রীদের একটা বিশেষ অংশের মতামত হচ্ছে- এই ফ্লাইটে এ্যালকোহল সরবরাহ করা হলে আরও ভাল সাড়া পড়বে। এ ধরনের দীর্ঘ পথ পাড়িতে এ্যালকোহল থাকবে না এমনটি এই যুগে যাত্রীদের কাছে আশ্চর্য মনে হয়। তাদের সাফ কথা- একটা- দুটো ফ্লাইটে শখ করে অনেকেই চড়বেন। ঢাকা থেকে টরন্টো পাড়ি দেয়ার ক্ষেত্রে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের তুলনায় সেবা ও আপ্যায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে ফ্লাইটের সিট খালি যাবে না।
শুরু থেকে এ ফ্লাইটের বাণিজ্যিক সফলতা নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করলেও এখন তারাই বলছেন- বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এই টরন্টো ফ্লাইটে। বিশেষ করে দ্বিতীয় ফ্লাইটে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও নেপালের ৯০ যাত্রী ঢাকা হয়ে কানাডায় যাওয়ার যে সাড়া ও আগ্রহ দেখিয়েছেন তা সময়ের ব্যবধানে আরও বাড়বে বলে বিমানের নীতিনির্ধারকদের বিশ্বাস।
বিমান সূত্রের মতে, বর্তমানে এ রুটটি অফ সিজনের। এখন যেভাবে সাড়া মিলছে যাত্রীদের তাতে আগামী পিক সিজনেই সেটা পূর্ণতা পাবে। তখন প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে। বিমান বর্তমানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্র্যান্ড নিউ বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজের মাধ্যমে এ রুটের ফ্লাইট পরিচালনা করছে যার আসন সংখ্যা ২৯৮টি। বহুল প্রতিক্ষীত উদ্বোধনী ফ্লাইটে ১৫৪ জন যাত্রী ছিলেন। ফিরতি পথে ১৭৮ জন দেশে ফিরেছেন।
দ্বিতীয় ফ্লাইটে রবিবার (৩১ জুলাই) ঢাকা থেকে গেছেন ১৯৭ জন যাত্রী। আগামী বুধবারের ফ্লাইটেও দুই শতাধিক টিকেট বিক্রি হয়েছে। এভাবে যাত্রীসংখ্যা উর্ধমুখীতে প্রত্যাশা পূরণ হবে।
জানতে চাইলে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও যাহিদ হোসেন বলেন- আমরা আশাবাদী। সবকিছুতেই ভাল আশা বা ইতিবাচক মনোভাব রাখতে হয়। আপাতত এই রটে ভাল রেসপন্স পাওয়া যাচ্ছে। আমরা ভারত এবং নেপাল থেকে আসা ৯০ জন যাত্রী পেয়েছি যারা ঢাকা হয়ে টরন্টো ফ্লাইটের টিকেট কেটেছেন।
এটা খুবই ভাল লক্ষণ। আগামী তিন মাস আমরা যাত্রী সংখ্যা দেখার পর বলতে পারব এর ভবিষ্যত। তবে এ রুটটি যথেষ্ট সম্ভাবনাময়। এখন আমাদের যাত্রীসেবার ওপর প্রাধান্য দিতে হবে।
বিমান সূত্রের মতে- এখন ভারতের কলকাতা ও নেপালের কাঠমান্ডু থেকে বিমানের ফ্লাইটে ঢাকা এসে এখান থেকে টরন্টো ফ্লাইটে কানাডা যাবার একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া কানাডার মন্ট্রিয়াল, অটোয়া, ভ্যানকুভার, এ্যালবার্টার অধিকাংশ নাগরিক কানাডা প্রবেশের জন্য বিমানের এই রুটকে বেছে নিয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে এই রুটের ফ্লাইট ৯০ শতাংশ ভর্তি হয়ে যাবে বলে অনেকের ধারণা।
-B










