দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের আশঙ্কা

দেশে আবারও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে আক্রান্তের হার ৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে। তবে লক্ষণযুক্ত রোগীরা পরীক্ষা না করানোয় শনাক্তের প্রকৃত হার নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না।
যেভাবে সংক্রমণের হার বাড়ছে তাতে চতুর্থ ওয়েভ বা ঢেউয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, আগামী ১৪ থেকে ২১ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
বিশেষ করে যারা সম্প্রতি বিদেশে গিয়েছেন তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি। এ ছাড়া তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন তারাই আক্রান্ত হচ্ছেন।
তবে বর্তমানে রোগীরা করোনার যে ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাতে মৃত্যুহার কম হবে। কারণ, টিকা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক একাধিকবার বলেছেন, দেশে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। এ কারণে দেশের সব মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে সচেতন থাকতে হবে। যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকা করোনা পরিস্থিতি হঠাৎ করে বেড়ে উল্টো দিকে না চলে যায়।
সংক্রমণের গুরুত্ব বিবেচনা করে কোভি-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি ইতোমধ্যে সর্বস্তরে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। গত ১৪ জুন কমিটির ৫৮তম সভায় বর্তমান ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ৬টি সুপারিশ প্রদান করেছে। সুপারিশে বলা হয়েছে, এই অবস্থায় অবশ্যই সর্বক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জনসমাগম বর্জন করতে হবে। এমনকি ধর্মীয় প্রার্থনার স্থানে (মসজিদ, মন্দির, গির্জা) মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যাদের জ্বর, সর্দি কাশির উপসর্গ দেখা দিচ্ছে তাদের অবশ্যই কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে।
সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লিখেছেন।
-B










